প্রযুক্তিতে দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৪০ শতাংশ
প্রযুক্তি খাতে বছরে ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করছে বাংলাদেশ। এই তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনসিটিএডি)। ইটারেনট ভিত্তিক বাণিজ্য তথা ই-কমার্সে বাংলাদেশ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলেও সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবদেন। সেখানে বাংলাদেশের ডিজটালাইজেশনের ভিত্তিকে ‘দৃষ্টান্তমূলক ’ আখ্যা দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হেয়েছ। বলা হয়েছে, বাংলাদেশে এমনভাবে ডিজিটাল অবকাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে যা ই-কমার্সের জন্য বেশ সহায়ক ও এর মাধ্যেমে মানসম্পন্ন সেবা দিতে প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কিংবা আইসিটি খাতে দেশটির তরুণ, প্রগতিশীল এবং প্রযুক্তিজ্ঞান সমৃদ্ধ জনগণ দারুণ সফলতা দেখাচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ঢাকায় এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করতে গিয়ে ইউনাইটেড ন্যাশন কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের টেকনোলজি ও লজিস্টিকস বিভাগের পরিচালক শামিকা এন. সিরিমানে বলেন, ব্যবসায়ী/কোম্পানি ও গ্রাহক উভয়ের জন্যই বাংলাদেশের ই-কমার্স ক্ষেত্রটি খুবই উর্বর।
প্রতিবেদনটিতে আশা প্রকাশ করা হয়, রূপকল্প বাস্তবায়নে ডিজিটাল নীতি গ্রহণে বাংলাদেশে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। এ কারণেই দেশটিতে ব্যাপকভাবে নিরাপদ এবং ব্যবসায় বান্ধব ই-কমার্স ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।
নিজমন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন বলেন, প্রতিবেদনটি আমাদের জন্য খুবই কার্যকর একটি গবেষণা। এটি আমাদের বাকি চ্যালেঞ্জগুলির চিহ্নিত করে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে। ই-বাণিজ্যে যে অভূতপূর্ব সুযোগ রয়েছে তা কাজে লাগাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
ইউএনসিটিএডি মূল্যায়ণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর এই দেশের উন্নয়নে ৩৫ বছরের কম বয়সী ১১০ মিলিয়ন বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করার অত্যন্ত উপযুক্ত খাত হচ্ছে আইসিটি খাতটি।